অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জয়ের পর আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিল ইংল্যান্ড। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে হারলেও সফরকারীদের চেয়ে এগিয়ে থেকেই প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছিল ইয়ন মরগানের দল। কিন্তু ম্যাচে সেই আত্মবিশ্বাস কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা।

ম্যানচেষ্টারে সফরকারীদের কাছে ১৯ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা। স্যাম বিলিংসের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিও জয়ের বন্দরে নিয়ে যেতে পারেনি ইংলিশদের। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের ১১৮ রানের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রান স্কোরবোর্ডে তোলে ইংল্যান্ড।

জয়ের জন্য ইংলিশদের লক্ষ্য ছিল ২৯৫ রান। বিলিংস ছাড়া জনি বেয়ারস্টোর ব্যাট থেকে আসে ৮৪ রান। এই দুজন বাদে আর কোন ইংলিশ ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে পারেননি। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান আসে অধিনায়ক মরগানের ব্যাট থেকে। দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা ছিলেন নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়ার মাঝেই। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অ্যাডাম জাম্পা ৫৫ রান খরচ করে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া ১০ ওভারে ৩ মেইডেন দিয়ে ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার জশ হ্যাজেলউড। ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন এই পেসার।

এদিন টসে জিতে সফরকারীদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ইংল্যান্ড অধিনায়ক মরগান। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ রানের আগেই দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার এবং অ্যারন ফিঞ্চকে হারিয়ে বসে অজিরা। তিন নম্বরে নামা মার্কাস স্টয়নিসও ফিরে যান ৩৪ বলে ৪৩ রান করে। দলীয় ১০০’র আগে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া আরও বিপদে পরে মার্নাস ল্যাবুশেন এবং অ্যালেক্স ক্যারিকে দ্রুত হারিয়ে। তবে সেখান থেকে মিচেল মার্শকে নিয়ে লড়াই করতে থাকেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। দুজন মিলে সপ্তম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ১২৬ রান। দুজনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

ম্যাক্সওয়েল ৭৭ রান করে আর্চারের বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হওয়ার খানিক পর বিদায় নেন মিচেল মার্শও। এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান। এরপর নীচের সারির ব্যাটসম্যানদের ছোট ছোট পুঁজিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৯৪ রানের পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া। জোফরা আর্চার এবং মার্ক উড নেন ৩টি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
অস্ট্রেলিয়াঃ ২৯৪/৯ (৫০ ওভার) (ম্যাক্সওয়েল ৭৭, মার্শ ৭৩) (উড ৩/৫৪)
ইংল্যান্ডঃ ২৭৫/৯ (৫০ ওভার) (বিলিংস ১১৮, বেয়ারস্টো ৮৪) (জাম্পা ৪/৫৪)

অর্থসূচক/এএইচআর

The post বিলিংসের সেঞ্চুরিও জেতাতে পারেনি ইংল্যান্ডকে first appeared on ArthoSuchak.

Leave a Reply

%d bloggers like this: