Hi

০২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্রে মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ

  • আপডেট : ১১:১৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৯০ জন দেখেছে

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্রে মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ

ওমর ফারুক, বিশেষ প্রতিনিধি, পার্বত্য চট্টগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জনাব মাহফুজ আলমের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীরব ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বীর চট্টলার বিপ্লবী ছাত্রসমাজের ব্যানারে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে জামালখান প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের চট্টগ্রাম জেলা সংগঠক আঈদ আল ক্বাদেরী, ছাত্রনেতা নূরে আবরার রাজিনসহ জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূরে আবরার রাজিন এবং সভাপতিত্ব করেন চৌধুরী সিয়াম ইলাহী।

বক্তব্যে ছাত্রনেতারা বলেন, আমেরিকার কোনো রাষ্ট্রদূত বা মন্ত্রী বাংলাদেশে এলে সড়ক বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, অথচ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে প্রকাশ্যে নিরাপত্তাকর্মীদের সামনেই হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে। অথচ সরকার এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের চট্টগ্রাম জেলা সংগঠক আঈদ আল ক্বাদেরী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ইন্টেরিম যদি দ্রুত কোনো বিবৃতি না দেয়, তাহলে আমরা মনে করব তারা জুলাইকে ভুলে যাচ্ছে।” বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহী বলেন, “নিজেদের উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারবে—এমন নিশ্চয়তা আমরা দেখি না।”

কর্মসূচির শেষে নূরে আবরার রাজিন ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. বিদেশে রাষ্ট্রীয় কাজে গেলে মন্ত্রীপরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।
৩. বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনা।
৪. হামলার ঘটনায় সরকার কোনো পদক্ষেপ বা নিন্দা না জানানোয় এর জবাবদিহিতা করা।
৫. জুলাইয়ের নেতাসহ আহত ও শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৬. আওয়ামী লীগ সরকারের পাচারকৃত অর্থ-সম্পদ দেশে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার করা।

👉 এই প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ছাত্রসমাজের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্রে মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ

আপডেট : ১১:১৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ: যুক্তরাষ্ট্রে মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ

ওমর ফারুক, বিশেষ প্রতিনিধি, পার্বত্য চট্টগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জনাব মাহফুজ আলমের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীরব ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বীর চট্টলার বিপ্লবী ছাত্রসমাজের ব্যানারে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে জামালখান প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের চট্টগ্রাম জেলা সংগঠক আঈদ আল ক্বাদেরী, ছাত্রনেতা নূরে আবরার রাজিনসহ জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূরে আবরার রাজিন এবং সভাপতিত্ব করেন চৌধুরী সিয়াম ইলাহী।

বক্তব্যে ছাত্রনেতারা বলেন, আমেরিকার কোনো রাষ্ট্রদূত বা মন্ত্রী বাংলাদেশে এলে সড়ক বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, অথচ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে প্রকাশ্যে নিরাপত্তাকর্মীদের সামনেই হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে। অথচ সরকার এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের চট্টগ্রাম জেলা সংগঠক আঈদ আল ক্বাদেরী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ইন্টেরিম যদি দ্রুত কোনো বিবৃতি না দেয়, তাহলে আমরা মনে করব তারা জুলাইকে ভুলে যাচ্ছে।” বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহী বলেন, “নিজেদের উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারবে—এমন নিশ্চয়তা আমরা দেখি না।”

কর্মসূচির শেষে নূরে আবরার রাজিন ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. বিদেশে রাষ্ট্রীয় কাজে গেলে মন্ত্রীপরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর হত্যাচেষ্টাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।
৩. বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনা।
৪. হামলার ঘটনায় সরকার কোনো পদক্ষেপ বা নিন্দা না জানানোয় এর জবাবদিহিতা করা।
৫. জুলাইয়ের নেতাসহ আহত ও শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৬. আওয়ামী লীগ সরকারের পাচারকৃত অর্থ-সম্পদ দেশে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার করা।

👉 এই প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ছাত্রসমাজের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।